বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি হবে এখন বাংলাদেশে
দিন দিন চাহিদা বারছে বিদ্যুৎ চালিত গাড়ির। ২০২০সালে প্রায় ২৪৭ বিলিয়ন ডলারের বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি বিক্রি হয়েছে বিশ্বে। এত মধ্যে এশিয়ায় বিক্রি হয়েছে ১১৮ বিলিয়ন ডলারের গাড়ি। গবেশনা প্রতিষ্ঠান Fortune Business Insights এর তথ্য অনুযায়ী ২০২৮ সালের মধ্যে এই ধরনের গাড়ির বৈশ্বিক বাজার দাঁড়াবে ১৩১৮ বিলিয়ন ডলারে। এমন সম্ভাবনাকে সামনে রেখে বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির পাশাপাশি দেশে বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি উৎপাদন করতে চায় বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড।
আগামী বছরের মাঝামাঝিতে দেশে বিদ্যুৎ চালিত গাড়ির পরিক্ষা মূল্যক উৎপাদন শুরু করতে চায় বাংলাদেশ আটো ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড। কারখানা গড়ে তুলা হচ্ছে মিরশরা বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে। প্রাথমিক ভাবে উৎপাদন করা হবে SEDAN, SUV, MPV গাড়ি। প্রতিষ্ঠানটি বলছে তেল চালিত গাড়িতে খরচ হয় প্রতি কলোমিটারে ১২ থেকে ১৩ টাকা। কিন্তু বিদ্যুৎ চালিত গাড়িতে খরচ হবে মাত্র ১.৫ থেকে ২ টাকা। কোম্পানিটির চেয়ারম্যান বলেন যে কোম্পানিটি গাড়ি উৎপাদন শুরু করলে দেশের চাহিদা পুরন করে বিদেশেও রপ্তানি করতে পারবে।যেমন নেপাল, ভারত,মিয়ানমার এবং আশেপাশের দেশগুলোতে।এবং তিনি মনে করেন ইউরোপ এ গাড়ি রপ্তানি করতে পারবেন।কারখানা নির্মানের জন্য বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরীতে ১০০একর জমি বরাদ্দ পেয়েছে কোম্পানিটি। যেখানে বিদ্যুতিক গাড়ি নির্মানের পাশাপাশি লিথিয়াম এয়ন বেটারি, মোটর, কন্ট্রলার এবং চার্জার তৈরি করা হবে। একটি বিদ্যুতিক গাড়ি তৈরিতে যেসকল যন্ত্রপাতি লাগে তার ৭০% দেশে উৎপাদন করতে চায় কোম্পানিটি। এর ফলে অল্প দামে গাড়ি বাজারজাত করা সম্ভব। আগামীবছর মাঝামাঝি থেকেই পরিক্ষা মুল্যোক ভাবে উৎপাদন শুরু করতে চায় কোম্পানিটি।
বাংলাদেশের যানজট সম্পর্কে সবাই জানে। আর গ্যাস ও তেল চালিত গাড়ি থেকে নির্গত ধোঁয়া দুষন করছে বায়ু। আর বৃদ্ধি পাচ্ছে বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস। বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা। তাই দেশে যদি বিদ্যুতিক গারি আনা হয় তাহলে একটু হলেও বায়ু দুষন রোধ করা সম্ভব।
দেশে তেলের দাম বেশি হওয়ায় তেল চালিত গাড়ির প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয় ১২ থেকে ১৩ টাকা। কিন্তু বিদ্যুৎ চালিত গারিতে খরচ হবে মাত্র ১.৫ থেকে ২ টাকা। যায় ফলে ব্যয় কমে কমে আসবে অনেক।
No comments